রবিবার ০১ অগাস্ট ২০২১ || শ্রাবণ ১৭ ১৪২৮ || ২২ জিলহজ্জ ১৪৪২

Logo
Logo

কঠোর বিধি-নিষেধে যেসব ক্ষেত্রে ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক

আপডেট: 4:31 PM, সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১

কঠোর বিধি-নিষেধে যেসব ক্ষেত্রে ছাড়

১৪ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য চলাচলে নিয়ন্ত্রণে বিধি-নিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এ সময় সরকারি, বেসরকারি অফিস এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে শিল্প-কারখানা।

বলা হচ্ছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা গ্রহণের প্রয়োজনে টিকার কার্ড দেখিয়ে বের হওয়া যাবে। এ ছাড়া ওষুধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন বা সৎকার- ইত্যাদি প্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া যাবে।

কয়েক দিন ধরেই সরকারের তরফে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ কথা। কিন্তু রবিবার গার্মেন্টস মালিক সংগঠনগুলো দাবি জানিয়েছিল, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কারখানা খোলা রাখার কথা। প্রজ্ঞাপনেও ছাড় দেওয়া হয়েছে শিল্প-কারখানাগুলোকে।

বলা হচ্ছে, শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। শ্রমিকদের স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেয়া নিশ্চিত করতে হবে।

সড়ক, নৌ, রেল, অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট-সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকলে পণ্যবাহী যানবাহন ও জরুরি সেবার ক্ষেত্রে কোন বিধিনিষেধ রাখা হয়নি।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিল্প-কারখানা চালু রাখার কথা যেমন বলা হয়েছে। অন্যদিকে খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর বারটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এবং রাতে বারটা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় এবং সরবরাহ করা যাবে।

উন্মুক্ত জায়গায় কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে সকাল নয়টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুম্মার নামাজ এবং তারাবির নামাজ হবে। তবে এসব নামাজে জমায়েত কীভাবে করা যাবে- সে ব্যাপারে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্দেশনা জারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বোরো ধান কাটার জন্য জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারবেন। কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর প্রশাসনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমন্বয় করার জন্য।

গত বছরের ৮ মার্চ করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন টানা দুইমাস পরিবহন, মার্কেট ও অফিস-আদালত বন্ধ থাকে। এই বছরের মার্চ থেকে আবার সংক্রমণ বৃদ্ধির হার বেড়ে যাওয়ায় সরকার এপ্রিলের শুরুতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে।

ফেসবুকে অমাদের ফলো করুন